মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় এক কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে হালিশহরে যাচ্ছিলেন। ওই কর্মী পুলিশের হেফাজতে মারা গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
হালিশহরে পৌঁছানোর পর বিক্ষোভকারীরা মমতার গাড়ি ঘিরে ধরেন। এ সময় গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা, জুতা ও পানির বোতল ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। বিক্ষোভকারীদের ‘চোর ভাগাও’ স্লোগান দিতেও দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।
ঘটনার পর সাংবাদিকদের মমতা বলেন, গাড়ির জানালা বন্ধ না থাকলে ইট-পাথরের আঘাতে তার মাথা ফেটে যেতে পারত এবং তিনি প্রাণ হারাতে পারতেন। পুলিশের উপস্থিতিতেই বাইরে থেকে আসা কিছু সমাজবিরোধী তার গাড়িতে পাথর ছুড়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মমতা আরও বলেন, তাকে নিরাপত্তা দিতে পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে। তার সঙ্গে থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভা সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভার সদস্য দোলা সেনও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, পুলিশের মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুরো ঘটনাটি পরিচালনা করছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে হামলার ঘটনায় বিজেপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছে দলটি। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, বিজেপি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। একইসঙ্গে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।