স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরের দিকে সীমান্তের ওপারে সন্দেহজনকভাবে চারজনকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করে এবং সম্ভাব্য পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি জোরদার করে। বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে ওই চারজন বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা ব্যক্তিদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন। তবে তাদের পরিচয়, জাতীয়তা কিংবা কোথা থেকে আনা হয়েছে সে বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। বিজিবির বাধার পর তারা বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য পুশইনের আশঙ্কায় বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামবাসীরাও শূন্যরেখার কাছাকাছি অবস্থান নিয়ে সতর্ক নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন।
জানা গেছে, সীমান্তের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার নাটনা বিএসএফ ক্যাম্প অবস্থিত। স্থানীয়দের ধারণা, ওই ক্যাম্পের আওতাধীন এলাকা থেকেই চারজনকে সীমান্তে নিয়ে আসা হয়েছিল।
সীমান্তে সাম্প্রতিক সময়ে পুশইনের একাধিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে নতুন এই ঘটনাটি উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
৬ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, মেহেরপুর সদর উপজেলার বুড়িপোতা বিওপি সীমান্তের খালপাড়া এলাকা দিয়ে চারজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা প্রতিরোধ করেছে বিজিবি। কোন অবৈধ পুশইন বা অনুপ্রবেশ বিজিবি হতে দেবে না। এজন্য কঠোর অবস্থায় রয়েছে বিজিবি।