পুলিশ জানায়, এদের বাড়ি জামালাপুর জেলায়। মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামে একটি ভাড়া বাড়িতে অবস্থান করে।
হাসপাতালের ভূক্তভোগী হাসান আলী জানান, তার স্ত্রী জান্নাতুল খাতুন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সকালের দিকে তাকে দেখতে আসে তার আত্মীয় রনি খাতুন। সঙ্গে ছিলো ২ বছর বয়সী এক শিশু। শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতালের লিফটে ৬তলা থেকে নীচে নামছিলেন। এ সময় শিশুটির হাতে থাকা একটি স্বর্ণের বালা ছিনিয়ে নেয় চোর চক্রের সদস্যরা। পরে একটি রোগীর পকেট থেকে টাকা বের করতে গিয়ে হাতেনাতে জনতার হাতে ধরা পড়ে ঐ ৬ নারী সদস্য। পরে তাদের তুলে দেওয়া হয় হাসপাতালে কর্মরত আনছার সদস্যদের হাতে।
এ সময় আনছার সদস্যরা তাদের শরীর তল্লাশী চালায়। তবে কোন অর্থ বা স্বর্ণলঙ্কার উদ্ধার করতে পারেনি।
আনছার সদস্যরা বলছেন, চুরির পর তারা মালামালগুলো চোর চক্রের সাথে থাকা পুরুষ সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দ্রুত পুরুষ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়ে। তবে তাদের কাছ থেকে একটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে। কললিস্ট যাচাই বাছাই করলে পুরো চক্রটিকে চিহ্নত করা যাবে।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবীর জানান, অভিযুক্তদের থানায় নেওয়া হয়েছে। ভূক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রায় সময়ই রোগীর স্বজনরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে চুরির শিকার হন। কিন্তু চোর চক্রের সদস্যরা থেকে যায় ধরা ছৌয়ার বাইরে।