আইআরজিসির এক বিবৃতি বলা হয়, লারিজানি এবং তার সহযোগীদের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েলের ‘একেবারে কেন্দ্রস্থলে ১০০টিরও বেশি সামরিক ও নিরাপত্তা লক্ষ্যবস্তুতে’ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সফলভাবে আঘাত হেনেছে।
ফারস নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও বলেছে, ইসরায়েলের ‘বহুস্তর বিশিষ্ট এবং অতি-উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ধস"’নামার কারণেই লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানা সম্ভব হয়েছে।
আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, এই ‘প্রতিশোধমূলক’ হামলায় তারা খোররামশাহর-৪, কদর, ইমাদ এবং খায়বার শেকান ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল। এর মধ্যে খোররামশাহর-৪ ক্ষেপণাস্ত্র থেকে অন্তত ৮০টি ছোট ছোট বিস্ফোরক তেল আবিবে আঘাত হেনেছে।
ইরানওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, খোররামশাহর-৪ ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যে নিখুঁতভাবে আঘাত করতে পারে। এ ছাড়া খাইবার শেকান ১,৪৫০, ইমাদ ১২০০ এবং কদর ২ থেকে ৩ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে তছনছ করে দিতে সক্ষম।
ইসরায়েলের জরুরি পরিষেবা বিভাগ বলেছে, তেল আবিব জেলার রামাত গানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে একজন পুরুষ এবং একজন নারী নিহত হয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা