গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) দেশের কোথাও চাঁদ দেখা না যাওয়ায় রোববার (১৯ এপ্রিল) শাওয়াল মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হয়। সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে জিলকদ মাসের গণনা।
ইসলামি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, জিলকদ মাসের পর জিলহজ মাস আসে এবং এ মাসের ১০ তারিখে উদযাপিত হয় পবিত্র ঈদুল আজহা। সেই হিসেবে, জিলকদ মাস ২৯ দিনে শেষ হলে আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) এবং ৩০ দিনে হলে ২৯ মে (শুক্রবার) ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে চাঁদ দেখার ওপরই চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে।
বাংলাদেশে ঈদ উপলক্ষে সাধারণত তিন দিনের সরকারি ছুটি থাকে, যা নির্বাহী আদেশে বাড়িয়ে পাঁচ দিন পর্যন্ত করা হয়। এ ছুটির আগে বা পরে সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্র ও শনিবার) যুক্ত হলে অনেক সময় টানা সাত থেকে আট দিনের ছুটি পাওয়া যায়।
তবে এবার সম্ভাব্য ঈদের তারিখ এমনভাবে পড়ছে যে, সাপ্তাহিক ছুটি ঈদের ছুটির মধ্যেই পড়ে যাচ্ছে। ফলে ছুটির আগে বা পরে সাপ্তাহিক ছুটি যোগ করে দীর্ঘ ছুটি তৈরির সুযোগ থাকছে না।
এছাড়া ঈদের ছুটির আগে বা পরে এক দিনের ব্যবধান রেখে সাপ্তাহিক ছুটি মেলানোর সুযোগও নেই। তাই সব মিলিয়ে এবার কোরবানির ঈদে দীর্ঘ ছুটির সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।
তবে চাঁদ দেখা ও সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে ঈদের নির্দিষ্ট তারিখ এবং ছুটির সংখ্যা।