নিহত ব্যক্তিরা হলেন- কটিয়াদী উপজেলার চাড়িপাড়া এলাকার কৃষক ইমন মিয়া (২৬), কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া এলাকার স্কুলছাত্র ইরফান (১৬), একই এলাকার নৌশাদ (২০) এবং অজ্ঞাতনামা এক নারী ও এক শিশু।
ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউট উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় বেলা ১১টার দিকে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে উল্টে যায়। এ সময় রাস্তার পাশে নিজের গরুকে ঘাস খাওয়াচ্ছিলেন কৃষক ইমন মিয়া। ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই ইমন ও তার গরুটি মারা যায়। কটিয়াদী হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খুরশেদ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে দুপুর দুইটার দিকে কিশোরগঞ্জ শহরের নীলগঞ্জ মোড়ে একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুই কিশোর গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কিশোরগঞ্জ উচ্চ বালক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ইরফানকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অপর আরোহী নৌশাদকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়।
এছাড়াও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চৌদ্দশত এলাকায় বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক অজ্ঞাতনামা নারী নিহত হয়েছেন।
এদিন বিকেলে সদর উপজেলার বিন্নাটি এলাকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত নারী ও শিশুর পরিচয় পাওয়া যায়নি।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত যানগুলো পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।