সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কেডিঘোষ রোডস্ত খুলনা জেলা পরিষদের সামনে ঘটনাটি ঘটে। নিহত মৌমিতা নগরী মুন্সিপাড়া তরুণ হালদারের মেয়ে।
খুলনা সদর থানা পুলিশের এসআই দেবব্রত বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মৌমিতা সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে নগরীর ডাকবাংলো মোড় থেকে কেডিঘোষ রোড দিয়ে পিতা তরুন হালদারের সাথে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে মুন্সীপাড়ার দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময়ে দ্রুতগামী একটি প্রাইভেটকার রিকশাকে ধাক্কা দিলে শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার ছিটকে রাস্তার ওপর পড়ে গিয়ে মাথা ও ঘাড়ে আঘাত পান। তাৎক্ষনিকভাবে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মৌমিতার ছোট ভাই বলেন, আমার দিদি (বোন) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাসায় থাকা অবস্থায় বাবা মাকে ফোন দেয়। ফোনে তিনি জানান, রিকশায় থাকা অবস্থায় পেছন থেকে প্রাইভেটকার ধাক্কা দিলে দিদি ও বাবা পড়ে যায়। বাবার হাতে কিছুটা আঘাত লাগে। তবে আমার বোনের অবস্থা ভালো ছিল না। পরবর্তীতে বোনকে নিয়ে খুলনা সদর হাসপাতালে যাই। সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলা হয়। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে বলেন, এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। আমাদের দপ্তরের একজন সেখানে রয়েছে। তার মরদেহ খুলনার মুন্সিপাড়ার বাসায় নেওয়া হয়েছে।
##
আলমগীর হান্নান