এ সময় ককটেল বিস্ফোরণ ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় স্থানীয় লোকজন নিরাপদ স্থানে সরে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
সোমবার ( ১৮ মে) সকালের দিকে পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরোয়ার আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে রোববার (১৭ মে) রাতে পলাশবাড়ী পৌর শহরে চৌমাথা মোড় রংপুর- ঢাকা মহাসড়কের আন্ডারপাস এলাকায় এ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে ।
স্থানীয়রা জানায়, ছাত্র সংগঠনের একজন কর্মীকে মারপিটের ঘটনায় পলাশবাড়ীতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে । রোববার দুপুরের দিকে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে এক গ্রুপ মহাসড়কের দক্ষিণ এবং অপর গ্রুপ উত্তর দিকে অবস্থান নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। রাত প্রায় সাড়ে নয়টায় পর্যন্ত ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। এ সময় নিরস্ত্র পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশ থানায় ঢুকে পড়ে এবং ওই সময় তিন থেকে চারটি ককটেল বিস্ফোরণে শব্দে মহাসড়কের চৌমাথা মোড় রণক্ষেত্রে পরিণত। উভয় গ্রুপই ইট পাটকেল ছুড়তে থাকে। স্থানীয় লোকজন দিকবিদিক ছোটাছুটি করতে থাকে। এ সময় অন্তত পক্ষে চারজন আহত হয় । পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খান বলেন, পলাশবাড়ী চৌমাথা মোড়ে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।