প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় মালয়েশিয়ার বাজার দ্রুত সচল করার চেষ্টা চলছে। এছাড়া থাইল্যান্ডের মতো নতুন বাজারে জনশক্তি রপ্তানির জটিলতা কাটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কিছু সিন্ডিকেটের কারণে অভিবাসন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি ঠেকাতে সরকার একটি নির্দিষ্ট ব্যয় কাঠামো নির্ধারণ করছে। এর ফলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ হবে এবং সাধারণ কর্মীদের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মালয়েশিয়ার বাজার নিয়ে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে এবং দ্রুতই সেখানে বড় আকারে কর্মী পাঠানো শুরু হবে। পাশাপাশি, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন কাজে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদাকে কাজে লাগাতে এবং তাদের ভাষা দক্ষতাকে গুরুত্ব দিতে মন্ত্রণালয় বিশেষ প্রস্তুতি নিচ্ছে।