এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধজনিত জ্বালানি সংকটের গভীর প্রভাব। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত ক্রমেই বিস্তৃত হওয়ায় পুরো অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা ও আংশিক অচলাবস্থার কারণে তেল ও গ্যাসের বৈশ্বিক সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর, যার মধ্যে মিশর অন্যতম।
মিশর নিজে কিছু গ্যাস উৎপাদন করলেও দেশটির ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দেশটির অর্থনীতিতে চাপ বাড়তে শুরু করেছে।
এর আগে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-এর সঙ্গে অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে মিশর জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানোর পথে হাঁটছিল। ফলে জ্বালানির দাম আগেই তুলনামূলক বেশি ছিল। নতুন করে বৈশ্বিক সংকট সেই চাপকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।