বৃহস্পতিবার (০৬ আগষ্ট) বিকেলে ফেনীর একটি কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফেনী জেলা শাখা আয়োজিত ‘মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী নাগরিক সমাবেশ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সংবিধান প্রসঙ্গের উল্লেখ করে মামুনুল হক বলেন, জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আমরা সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ সংস্কার চাই, কোনো আংশিক সংশোধন আমরা মানব না। দেশের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে, তাঁদের রায় নিয়ে তামাশা করা বন্ধ করতে হবে। ১৯৭২ সালে অন্য দেশের সংবিধান অনুকরণ করে আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটিয়ে সংবিধানের মৌলিক বিষয়গুলো ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাজনৈতিকভাবে পরাজিত ও দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রতিবেশী দেশ আশ্রয় এবং সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে সমর্থন জানানোর এই আচরণের প্রতি তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
খেলাফত মজলিস ফেনী জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা নাজমুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে যৌথ সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ফেনী জেলার সভাপতি মাওলানা শাহ মুহাম্মদ জুনায়েদ ও খেলাফত মজলিস জেলা সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের নায়েবে আমীর শাইখুল হাদীস মাওলানা আফজালুর রহমান, মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন ও মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজি, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু সাঈদ নোমান ও মাওলানা এনামুল হক মূসা, কেন্দ্রীয় সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ জাহিদুজ্জামান ও বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সদস্য মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম।
এ ছাড়া সমাবেশে অতিথি ও আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আবদুর রহিম, জাতীয় নাগরিক কমিটির ফেনী জেলা সদস্যসচিব শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিক, বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের আহ্বায়ক সোহরাব হোসেনসহ স্থানীয় খেলাফত মজলিসের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।