স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর মাজহারুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে কমিটি ঝিনাইদহ সদর ও শৈলকূপা উপজেলার একাধিক সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখে। পরিদর্শিত স্থানগুলোর মধ্যে ছিল ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল এলাকা, ঝিনাইদহ-যশোর সড়কের চুটুলিয়া মোড় সংলগ্ন মাঠ, মেডিকেল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ম্যাটস) এলাকা, পানি উন্নয়ন বোর্ড সংলগ্ন খাস জমি, আমতলা এলাকা, শৈলকূপা উপজেলার দুধসর ইউনিয়নে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া সড়ক সংলগ্ন খাস জমি এবং গাড়াগঞ্জ এলাকা।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সদস্য সচিব উপল সীজার, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সঞ্জীব এবং দিলরুবা জেবা।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. আব্দুল মজিদ, ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান সোহেল, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুস্তাফিজুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল রহমান লিটন, আইনমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী সোহেল খানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্ধারণে কমিটি অবকাঠামোগত সুবিধা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত জমির প্রাপ্যতা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা মূল্যায়ন করছে। পরিদর্শন শেষে এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে এবং সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই স্থান নির্বাচন বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ঝিনাইদহে সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হলে জেলার স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসা শিক্ষার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তিও আরও সহজ হবে।