তিনি উদ্বেগের সাথে বলেন, আমার ভাতিজার নাম মোঃ রাকিব হাসান বন্ধন একজন ব্যবসায়ি ও ইউনিয়ন ভিত্তিক সারের ডিলার নিয়োগের প্রার্থী।
লিখিত বক্তব্যে বলেন, সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল আমার ভাতিজাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে একটি সম্পূর্ন ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে যে, আমার ভাতিজা ২০২৩ সালে ৮নং পাগলাকানাই ইউনিয়ন, এর নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্য ছিল। কিন্তু সে কখনই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলনা। যে তালিকা দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে সেখানে নাম আছে বন্ধন মিয়া নামে এক ব্যক্তির। অথচ আমার ভাতিজার জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ি তার পুরা নাম মোঃ রাকিব হাসান বন্ধন। কেবল মাত্র নামের শেষের আংশিক মিল কে পুজি করে অন্য একজনের পরিচয় তার উপর চাপিয়ে দিয়ে এই মানহানিকর অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এমন কি আমার মৃত ভাইয়ের স্ত্রী ও মোঃ রাকিব হাসান বন্ধনের মা মোছাঃ জুলিয়া খাতুনের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে যে, সে ওয়ার্ড যুব মহিলালীগ এর সভাপতি যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
বর্তমানে বিভিন্ন ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া চলমান আছে। সম্পূর্ণ অহেতুক ভিত্তিহীন ভাবে এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করতেই একটি অসাধূ মহল পরিকল্পিত ভাবে আমার ভাতিজাকে নিয়ে এই নোংরা সড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
বিগত ছাত্র জনতার ফ্যাসিবাদী আন্দোলনে আমার ভাতিজা রাকিব হাসান বন্ধনের অবস্থান স্পষ্ট ও জোরালো ছিল। ফ্যাসিবাদীর বিরুদ্ধে রাজপথে তার সক্রিয় উপস্থিতির সমস্ত তথ্য প্রমান আমাদের কাছে রয়েছে।