শহরের পায়রা চত্বরের ১০ তলা, বঙ্গবাজার, পিপিলিকা মার্কেট, মুন্সী মার্কেট, কেসি বসু সড়কসহ বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ বিপণিবিতানে নেই কোনো নির্দিষ্ট টয়লেট ব্যবস্থা। কোথাও কোথাও দোকান মালিকদের ব্যক্তিগত টয়লেট থাকলেও তা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য উন্মুক্ত নয়।
শৈলকুপা থেকে কেনাকাটা করতে আসা গৃহিণী রোজিনা খাতুন বলেন, মার্কেটে এসে অনেক সময় দুই-তিন ঘণ্টা থাকতে হয়। কিন্তু জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করার মতো কোনো ওয়াশরুম পাওয়া যায় না। নারীদের জন্য এটা খুবই কষ্টকর ও বিব্রতকর।
কলেজছাত্রী তানজিলা ইসলাম বলেন, বন্ধুদের সঙ্গে শপিং করতে এসে সবচেয়ে বড় সমস্যায় পড়তে হয় ওয়াশরুম নিয়ে। অনেক সময় বাধ্য হয়ে বাসায় ফিরে যেতে হয়।
শহরের ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের জানান, বর্তমানে মার্কেটগুলো আধুনিক হচ্ছে, কিন্তু মৌলিক নাগরিক সুবিধার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে না। একটি বড় মার্কেটে অন্তত নারী-পুরুষের জন্য আলাদা টয়লেট থাকা উচিত।
ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবরে সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন বলেন, শহরের বেশিরভাগ মার্কেট অনেক আগে নির্মাণ করা। সেসময় কোন মালিক এই বিষয় ভাবেনি। নতুন করে যেসব মার্কেট তৈরী করা হচ্ছে সেসব মার্কেটগুলোতে টয়লেট করা জরুরী। এছাড়াও পৌরসভার পক্ষ থেকে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করলে সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে বলে আমি মনে করি।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ পৌরসভার প্রশাসক রথীন্দ্রনাথ রায় বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। শহরের বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণিবিতানে জনসাধারণের জন্য পর্যাপ্ত টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করতে আমরা ব্যবসায়ী সমিতি ও মার্কেট মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করবো। নতুন মার্কেট নির্মাণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত ওয়াশরুম বাধ্যতামূলক করার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।