দেশ ছাড়ার আগে দেওয়া বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, জাতিসংঘে তিনি ‘ইরানি জনগণের ক্ষোভ, সংঘটিত অপরাধ এবং তৈরি হওয়া আস্থার সংকটের’ বিষয়টি তুলে ধরবেন।
চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ
পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান বেশ কয়েকবার আলোচনার টেবিলে বসেছে এবং চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি এবং লিখিত চুক্তি লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, “আমরা বেশ কয়েকবার আলোচনার টেবিলে গিয়েছি এবং চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত পুরো বিশ্ব দেখেছে কীভাবে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি এবং লিখিত চুক্তিগুলো লঙ্ঘন করা হয়েছে।”
ইরানের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে কোনো জনগোষ্ঠীকে স্থায়ীভাবে বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করা যায় না। গাজা, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, ইয়েমেন, ইরানসহ বিভিন্ন স্থানে চলমান পরিস্থিতি বিশ্ববাসীর সামনে এর বাস্তবতা তুলে ধরছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
‘বিভেদ উসকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে’
ইরানের জনগণকে বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করতে বিভিন্ন পথ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন পেজেশকিয়ান। তাঁর দাবি, সামরিক উপায়ে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়ে প্রতিপক্ষ এখন অন্য কৌশল অবলম্বন করছে।
তিনি বলেন, “তারা স্থল ও আকাশপথ বন্ধ করে দিচ্ছে, অভ্যন্তরীণ বিভেদ উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে, গণমাধ্যম ও জাতিগত গোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করছে।”
ইরানের ভেতর থেকে দেশটিকে দুর্বল করতে এবং শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে নিতে বিভিন্ন পক্ষ ইরানের দুর্বলতাগুলোকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এসব বিষয়ই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরার কথা জানিয়েছেন তিনি।