একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, ছুটির দিনে তিনি একটি খাবারের জায়গায় যান। সেখানে একটি টেবিলে বিএনপি, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন আইনজীবী বসেছিলেন। তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে তিনি একই টেবিলে বসেন।
পরে আওয়ামী লীগের আরও দুই আইনজীবী সেখানে এলে তাদের টেবিলে বসতে বলা হয়। এ সময় একজন তার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘ওই যে একজন আছেন, উনি থাকলে তো এখানে বসা যাবে না—জামায়াত।’
তাজুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে এ ধরনের বিভাজন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রগতিশীলতার কথা বললেও অনেকের মধ্যে অন্য রাজনৈতিক দলের কাউকে নিয়ে এক ধরনের ট্যাবু রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি শিক্ষানবিশ আইনজীবীদেরও এ মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
মসজিদে নারীদের প্রবেশ ও ইবাদতের সুযোগ নিয়েও কথা বলেন তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সময়ে নারীরা মসজিদে যেতেন, কথা বলতেন, প্রশ্ন করতেন এবং বিভিন্নভাবে অংশ নিতেন।
বাংলাদেশের অনেক মসজিদে নারীদের প্রবেশের সুযোগ না থাকার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রতিটি মসজিদে নারীদের নামাজের জায়গা, বাথরুম ও ওজুর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।