স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল এতটা বিপর্যয়কর হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাদের দাবি, শুধু পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর সমালোচনা না করে বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষক উপস্থিতি, পাঠদানের মান, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা তদন্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। স্থানীয়রা আরও বলেন, একটি বিদ্যালয় শুধু পরীক্ষার ফলাফল দেওয়ার প্রতিষ্ঠান নয়; এখান থেকেই একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে। তাই ইউনিয়ন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের নজরে এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানিক কান্তি পাল বলেন, অভিভাবকদের অসচেতনা ও ইংলিশের সাবজেক্ট টিচার না থাকায় আমরা আন ইজি ফিল করতেছি। শিক্ষার্থীতা তাদের অভিভাবকদের গিয়ে বলেন এখানে বিদ্যালয়ে পড়ালেখা হয়না যার কারনে অভিভাবকরা ভুল বুঝতেছে। আগামীতে ভাল ফলাফলের জন্য আমরা সেই অনুযায়ী উদ্যোগ নিচ্ছি।
কমলগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শামছুন্নাহার পারভিন বলেন, এসএসসির ফলাফল বিপর্যয় দেখে প্রধান শিক্ষককে বলেছি কোন যায়গায় ঘাটতি আছে দেখার জন্য এবং অভিভাবকদের নিয়ে জরুরি সভা করতে বলেছি।