মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, চলমান গোপন আলোচনায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্তে সম্মতি জানিয়েছে।
যদিও এসব শর্ত এখনো প্রকাশ করা হয়নি, বিশ্লেষকরা এটিকে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। অনেকের মতে, এটি হতে পারে সম্পর্কের বরফ গলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুরু থেকেই ইরান ইস্যুতে দ্রুত সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি ৬ এপ্রিলকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা হিসেবে বিবেচনা করছেন এবং তার আগেই সমঝোতায় পৌঁছাতে চান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি সত্যিই যুক্তরাষ্ট্রের শর্তগুলো মেনে নেয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। দীর্ঘদিনের সংঘাত কমিয়ে স্থিতিশীলতার পথে এগোনোই এখন উভয় পক্ষের প্রধান লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে ওয়াশিংটন। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান চলছে এবং আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
রুবিওর ভাষায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সবসময় কূটনীতিকে প্রাধান্য দেন এবং দ্রুত একটি ফলাফলে পৌঁছাতে চান। তবে তিনি অভিযোগ করেন, ইরান তাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার করে আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
সব মিলিয়ে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।