প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ধ্বংস হওয়া ঘাঁটিগুলোর মধ্যে কুয়েতে অবস্থিত কয়েকটি ঘাঁটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে পোর্ট শুয়াইবা, আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটি এবং বুয়েরিং সামরিক ঘাঁটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে এসব দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। তাদের মতে, ইরান পরিস্থিতিকে অতিরঞ্জিত করছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কাতার, বাহরাইন ও সৌদি আরবেও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটির শক্তিশালী রাডার ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর ফিফথ ফ্লিটের সদর দপ্তর এবং সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।
উপসাগরীয় দেশগুলোকে আগেই সতর্ক করেছিল ইরান—যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে সহযোগিতা করলে তারাও হামলার শিকার হবে।
এদিকে, সামরিক ঘাঁটিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবি ওঠার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র তাদের অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, চলমান অভিযানে ইরানের ৯ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
আলজাজিরার এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে। বর্তমানে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ বিভিন্ন স্ট্রাইক গ্রুপ সেখানে সক্রিয় রয়েছে। পাশাপাশি মেরিন বাহিনী ও প্যারাট্রুপারসহ অতিরিক্ত প্রায় ৭ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এই সংঘাতে নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। তবে বাস্তব ক্ষয়ক্ষতির চিত্র নিয়ে এখনো ভিন্নমত রয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে।