বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ঘাঁটির অবস্থা অনেক ক্ষেত্রে এতটাই নাজুক হয়ে পড়েছে যে সেগুলোর কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। কিছু ক্ষেত্রে এগুলো মার্কিন বাহিনীর জন্য ঝুঁকির কারণও হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাব হিসেবেই তারা এই পাল্টা আঘাত হেনেছে।
ওয়াশিংটনে আয়োজিত ‘আরব সেন্টার’-এর এক সম্মেলনে Marc Lynch বলেন, গত এক মাস ধরে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামোকে দুর্বল করে দিয়েছে। তবে এসব ঘাঁটির প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র প্রকাশ করা হচ্ছে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে Bahrain-এ অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এখন নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে, যেখানে নৌবহর পুনরায় মোতায়েন করাও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
বর্তমানে Bahrain, Saudi Arabia, United Arab Emirates, Kuwait, Qatar এবং Oman-এ অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পেন্টাগন ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এসব ঘাঁটিতে যাতায়াত ও তথ্য আদান-প্রদান কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ঘাঁটিগুলোর প্রকৃত অবস্থা গোপন রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তাদের মতে, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক কৌশলকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির সামনে মার্কিন সামরিক অবকাঠামোর দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে, যা ভবিষ্যতে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতিকে নতুনভাবে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।
সূত্র: Middle East Eye