জার্মান বার্তাসংস্থা ডয়েচে প্রেস এজেন্সিকে (ডিপিএস) পাকিস্তানের কয়েকটি তথ্যবহুল সূত্র জানিয়েছেন, গত পাঁচ মাস আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরুর পর এখন স্থল হামলা চালানোর সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে।
এই গোয়েন্দারা বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সেনাবাহিনীর সতর্কতা উপেক্ষা করে ইরানের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে স্থল হামলা চালাতে পারেন। তারা সামরিক পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
টানা ৪০ দিন যুদ্ধ করার পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল। কিন্তু হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণের দ্বন্দ্ব নিয়ে দুই দেশ হামলা ও পাল্টা হামলা চালানোর পর চুক্তিটি ভেস্তে গেছে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র টানা প্রায় ১৫দিন ইরানে হামলা চালায়। তবে গত তিনদিন ধরে হামলা বন্ধ আছে।
পাকিস্তানের নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, কাতারকে সঙ্গে নিয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়েছেন। কিন্তু ইরান জানিয়েছে, তারা এবার আর কোনো অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হবে না। যদি যুদ্ধবিরতি হয় এটি হতে হবে স্থায়ী বিরতি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এ সম্ভাব্য স্থল হামলার ব্যাপারে সতর্কতা দিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আমির আকরামিনিয়া। তিনি কয়েকদিন আগে বলেন, মার্কিনিদের স্থল হামলার জন্য তাদের সেনারা প্রস্তুত।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মার্কিন সেনাদের জন্য স্থল হামলা হবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তারা ইরানে গেলে ড্রোন ও মিসাইলের কবলে পড়তে পারে যদি উপসাগরীয় আরব দেশগুলো তাদের ঘাঁটিতে সেনাদের নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রতি না দেয়।
পর্যবেক্ষক সংস্থা আইআইএএসের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের সক্রিয় ৬ লাখ ১০ হাজার সেনা ও প্যারামিলিটারি রয়েছে। এরসঙ্গে রিজার্ভ সেনা আছে ৩ লাখ ৫০ হাজার।
সূত্র: ডিপিএস