সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্যারিস্টার আরমান মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং দেশের জ্বালানি সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, জ্বালানি বিক্রি নিয়ে বিরোধের কারণে দেশে ইতোমধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী এ পরিস্থিতি নিরসনে কী ভূমিকা নিচ্ছেন, জানতে চান।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। তিনি জানান, জ্বালানি একাধিক উৎস থেকে সরবরাহ করতে প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই জ্বালানি মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও অন্যান্য উৎস থেকে জ্বালানি আনার জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের একমাত্র এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তেহরানসহ সেখানকার মিশনগুলো ২৪ ঘণ্টা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে জানান, চলমান সংঘাতে দুর্ভাগ্যবশত পাঁচজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দু’জনের মরদেহ ইতোমধ্যেই দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। শামা ওবায়েদ আরও বলেন, জটিল পরিস্থিতির মধ্যেও আইওএম-এর সহযোগিতায় ১৮৬ জন বাংলাদেশিকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, বিশ্বের যে প্রান্তে থাকুক না কেন, বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই বর্তমানে সরকারের একমাত্র অগ্রাধিকার।