হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে ৬ এপ্রিলের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। যদিও তেহরান প্রকাশ্যে যা বলছে, তা যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত তথ্যের সঙ্গে ভিন্ন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, ইরানের নৌবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার দুর্বল করাই প্রধান লক্ষ্য। এরপর ধীরে ধীরে সংঘাত কমিয়ে কূটনৈতিক চাপ বাড়ানো হবে, যাতে তেহরান আবার বাণিজ্যে ফিরে আসে। এ ক্ষেত্রে ইউরোপ ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
এর আগে সোমবার ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি ইরান হরমুজ প্রণালী পুনরায় না খোলে, যুক্তরাষ্ট্র দেশটির জ্বালানি স্থাপনা ও তেলক্ষেত্র ধ্বংস করতে পারে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট সবসময় কূটনৈতিক সমাধানকে প্রাধান্য দেন, তবে হরমুজ প্রণালীর আংশিক অবরোধের জন্য ইরানকে ‘বাস্তব পরিণতি’ মোকাবিলা করতে হবে।
গত এক মাসে ইরান বেশ কয়েকটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে এবং হরমুজ খুলে দেয়ার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে। তেহরান জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি না হওয়া পর্যন্ত তারা নৌপথ অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে পারে।
সূত্র: দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, এক্সপ্রেস ট্রিবিউন