বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচেই এই স্ট্রাইকার ২৯তম মিনিটে নিজের প্রথম গোলটি করেন। ১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে এটি ছিল নরওয়ের প্রথম গোল। এরপর প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই বোস্টনের মাঠে তিনি নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন। নরওয়েতে তখন মধ্যরাত হলেও দেশজুড়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
নোরসার-এর বক্তব্য, ‘বুধবার রাতে বের্গেনের সিসমিক স্টেশনটিতে নরওয়ে ও ইরাকের মধ্যকার বিশ্বকাপ ম্যাচ চলাকালীন কিছু স্পষ্ট সংকেত ধরা পড়ে। সবচেয়ে বড় কম্পন বা ওঠানামাগুলো আর্লিং হালান্ডের গোলগুলোর সময়ের সঙ্গে মিলে যায়, যা নরওয়েজিয়ান সমর্থকদের তীব্র উল্লাসের কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।’
সংস্থাটি আরও জানায়, এই কম্পনগুলো মূলত কোনো প্রাকৃতিক ভূমিকম্প ছিল না। বের্গেনে খেলা দেখতে বসা হাজার হাজার সমর্থক যখন একই সাথে লাফিয়ে উঠে ও চিৎকার করে গোল উদযাপন করছিলেন, তখন তাদের সম্মিলিত নড়াচড়ার কারণে মাটিতে এই মৃদু কম্পন তৈরি হয়।