জানা গেছে, সেখানে তাদের নতুন করে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি চলছে।
এর আগে, গত রোববার বিধাননগর মহকুমা আদালত তাদের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয়। পরদিন সোমবার এনআইএ আদালতে আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।
শুনানির সময় দুই অভিযুক্তকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে সোমবার রাতেই দমদম সেন্ট্রাল জেল থেকে তাদের এনআইএ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং রাতের ফ্লাইটে দিল্লিতে পাঠানো হয়।
এর আগে আদালত ফয়সাল করিম ও আলমগীর হোসেনকে ১২ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছিল। তবে আদালতে আনা-নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফয়সাল হাদি হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন।
তিনি দাবি করেন, তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত নন। সিসিটিভি ফুটেজে তার উপস্থিতির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, তাকে গুলি করতে দেখা যায়নি এবং তিনি ঘটনাস্থলেও ছিলেন না।
তবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স জানিয়েছে, গত ৭ মার্চ মধ্যরাতে বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশের।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর সেখানে তার মৃত্যু হয়।