ইনজুরির কারণে ইনফর্ম ফিল সল্টকে না পেয়ে কিছুটা ব্যাকফুটে ছিল আরসিবি। তবে ভেঙ্কটেশ আইয়ার (৭ বলে ১৯) ও বিরাট কোহলির (২৫ বলে ৪৩) ব্যাটে শুরু থেকেই মারকুটে ছিল তারা। মাঝপথে জেসন হোল্ডার ও রশিদ খান রান আটকে উইকেট তুলে গুজরাটকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন।
তবে এরপরই শুরু হয় রজত পাতিধর শো। মাত্র ৩৩ বলে খেলেন ৯৩ রানের এক অতিমানবীয় ও অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। যার মধ্যে ছিল ৯টি ছক্কা ও ৪টি চার। শেষ ৬ ওভারে পাতিধরের তোপেই ১১৪ রান তোলে আরসিবি। ৪৩ রান আসে ক্রুনাল পান্ডিয়ার ব্যাট থেকে।
২৫৫ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই কিউই পেসার জ্যাকব ডাফির বলে অদ্ভুতভাবে হিট-উইকেট হন সাই সুদর্শন। শট খেলার সময় তার হাত থেকে ব্যাট ফসকে স্ট্যাম্পে আঘাত করে। এরপর শুভমান গিলকে (৪) বোল্ড করে নিজের দাপট বজায় রাখেন ভুবনেশ্বর কুমার।
বিধ্বংসী হয়ে ওঠার আভাস দেওয়া জস বাটলারকে (১১ বলে ২৯) জশ হ্যাজলউড ফিরিয়ে দিলে গুজরাটের আশা শেষ হয়ে যায়। এরপর রসিক সালাম জোড়া উইকেট নিলে পাওয়ার-প্লে শেষ হওয়ার আগেই ৫ উইকেট হারিয়ে ধসে পড়ে টাইটান্সরা।
শেষদিকে রাহুল তেওয়াতিয়ার ৫ ছক্কায় করা ৬৮ রানের ইনিংসটি কেবল গুজরাটের হারের ব্যবধানই কমিয়েছে।
জ্যাকব ডাফি সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন। আর দুটি করে উইকেট পেয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার, রসিক সালাম দার ও ক্রুনাল পান্ডিয়া।