নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুপুরে কোরবানি দেওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাবার খাচ্ছিল ইয়াসিন। এ সময় হঠাৎ তার গলায় গরুর মাংস আটকে যায়। এতে তার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং সে ছটফট করতে শুরু করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, সকালে আমার ছেলে আমার সাথে ঈদের নামাজ পড়ে বাড়ি আসে। তারপর কোরবানি করি এবং মাংস কাটার সমস্ত কাজ শেষ করি। ওরে দুপুরে কুরবানির মাংস রান্না করা হয় এবং আমরা সবাই মিলে খেতে বসি। এ সময় হঠাৎ করে আমার ছেলের গলায় মাংস আটকে যায়। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার বলে আমার ছেলে মারা গেছে। আজকে একটা ঈদের দিনে আমি আমার ছেলেটাকে হারালাম।
এ বিষয়ে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু তাহের ঢাকা পোস্টকে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই কিশোরটির মৃত্যু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গলায় মাংস আটকে শ্বাসরোধের কারণে সে মারা গেছে।