গত ১৮ আগস্ট বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয় ফরিদপুর, জেলা প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে পূর্ব গঙ্গাবর্দী এলাকার রয়েল ফিলিং স্টেশনের ব্যবহৃত ট্যাংকলরির ক্যালিব্রেশন সনদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন-২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
একই এলাকার রয়েল হাইওয়ে ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সংরক্ষণ, বাসি খাবার পরিবেশন, কর্মীদের স্বাস্থ্যসনদ না থাকা, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণস্থলে মাছিসহ বিভিন্ন প্রাণীর উপদ্রব এবং ভেজাল ঘি ও নন-ফুডগ্রেড রং ব্যবহারের অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কানাইপুরের মেহেদী ফুড প্রোডাক্টসের বেকারি পণ্য উৎপাদনস্থলে অপরিষ্কার পরিবেশ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, শেফ ফুড ইন্ডাস্ট্রিজে চানাচুর ও চিপস উৎপাদনে পোড়া তেল ব্যবহারের পাশাপাশি আর্টিফিশিয়াল ফ্লেভারড ড্রিংকস ও এডিবল জেল পণ্যের লেবেলে ভুল তথ্য, খাদ্যপণ্যে অননুমোদিত রঙের উপস্থিতি এবং ফুড কালারের বোতলে আমদানিকারকের সিল না থাকায় নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো এবং সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছাঃ জান্নাতুল সুলতানা।
অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআই ফরিদপুরের পরিদর্শক (মেট) মোঃ খালিদ হাসান, জেলা খাদ্য ইন্সপেক্টর বজলুর রশিদ খান, এবং ফিল্ড অফিসার (সিএম) প্রকৌঃ এস এম সোহরাব হোসেন।
বিএসটিআই ফরিদপুর জানিয়েছে, জনস্বার্থে ভেজালবিরোধী ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।