মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, জেলা পুলিশ ও র্যাব-১০-এর যৌথ অভিযানে ভোরের দিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি গ্রামের একটি কলাবাগানে লুকিয়ে ছিলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ মোল্লা হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তার দাবি অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের মানসিক হতাশা এবং পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ে না করানোই এ ঘটনার পেছনের কারণ। তবে তার দেওয়া কিছু তথ্য বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পুলিশ জানায়, সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গদাধরডাঙ্গী গ্রামের হারুন মোল্লার বাড়ির সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে দাদি আমিনা বেগম (৮০) ও ফুফু রাহেলা বেগম (৫৫)-কে কোদাল দিয়ে আঘাত করেন আকাশ মোল্লা। পরে চিৎকার শুনে এগিয়ে গেলে কাবুল হোসেনকেও (৪৯) আক্রমণ করে সে।
ঘটনাস্থলেই কাবুল হোসেন, আমিনা বেগম ও রাহেলা বেগম নিহত হন। হামলায় রিয়াজুল মোল্লা (৩৬) ও আর্জিনা বেগম (৪৫) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
পুলিশ আরও জানায়, নিহত কাবুল হোসেনের স্ত্রী কোহিনুর বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং র্যাব-১০-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।