কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর আওতাধীন চান্দিনা, দেবীদ্বার, মুরাদনগর ও বরুড়া উপজেলায় প্রায় পৌনে সাত লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন। একই সঙ্গে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই ঝোড়ো হাওয়ায় অসংখ্য গাছ উপড়ে পড়ে ঘরবাড়ি ও অবকাঠামোর ক্ষতি হয়। কোথাও বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে সড়কে পড়ে আছে, আবার কোথাও ছিঁড়ে যাওয়া তারের ওপর গাছ পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল হয়ে গেছে।
চান্দিনা পৌর এলাকার বাসিন্দা তানজির ইসলাম বলেন, “এত ভয়াবহ ঝড় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেখিনি। বিকেল পর্যন্ত বিদ্যুৎ নেই, মোবাইল নেটওয়ার্কও কাজ করছে না—সবকিছু বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।”
পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানায়, ঝড়ে সঞ্চালন লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দীর্ঘ সময় কাজের পর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চান্দিনা বাজার এলাকায় জাতীয় গ্রিড থেকে আংশিক বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছে।
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী রাসেদুজ্জামান বলেন, “আমাদের টিম মাঠে কাজ করছে। অধিকাংশ এলাকায় ১–২ ঘণ্টার মধ্যে বিদ্যুৎ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। তবে যেসব এলাকায় ক্ষতি বেশি, সেখানে মেরামতে সময় লাগতে পারে।”
তিনি আরও জানান, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনো সংগ্রহাধীন রয়েছে। মাঠ পর্যায়ের তথ্য পাওয়া গেলে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।