ফ্যাশনের এই চোখধাঁধানো চমকের দিনে পারফরম্যান্সেও দ্যুতি ছড়িয়েছেন ২৮ বছর বয়সী এই তারকা। জার্মানির লরা সিগেমুন্ডকে ৬-৩, ৭-৬ (৭-৩) গেমে হারিয়ে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেছেন চারবারের এই গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী।
কোর্ট সুজান লেংলেনে ওসাকা যখন প্রথম পা রাখেন, তখন তার গায়ে ছিল সম্পূর্ণ কালো রঙের একটি কর্সেট এবং লাল ক্লে-কোর্টের ওপর ছড়িয়ে থাকা একটি চমৎকার প্লিটেড স্কার্ট। কিন্তু আসল চমকটি অপেক্ষা করছিল তখনও। কালো পোশাকটি সরাতেই ওসাকা উন্মোচন করেন সিকুইন দিয়ে জড়ানো একটি ঝিলমিলে সোনালী (গোল্ডেন) টেনিস ড্রেস, যা প্যারিসের তীব্র রোদে চারদিকে আলো ঠিকরে দিচ্ছিল।
ম্যাচ শেষে নিজের এই বিশেষ পোশাকের অনুপ্রেরণা নিয়ে ওসাকা মজা করে বলেন, ‘রাতের বেলা আইফেল টাওয়ার যখন আলোয় ঝিলমিল করে, দেখতে কেমন লাগে বলুন তো? আমার মনে হচ্ছিল আমি দেখতে ঠিক ওটার মতোই হয়েছি। তবে ভয়ও লাগছিল, রোদে ড্রেসটি যেভাবে চকচক করছিল, আম্পায়ার আবার আমাকে কোর্ট থেকে বের করে দেন কি না! ভাগ্যিস ব্যাক-আপ ড্রেসগুলো পরতে হয়নি।’
চলতি বছরের জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনেও জেলিফিশ পোশাক পরে মেয়ে শাই-কে উৎসর্গ করেছিলেন ওসাকা। গ্র্যান্ড স্লামের কোর্টে ঢোকার এই মুহূর্তটি নিয়ে সাবেক এই বিশ্ব নম্বর ওয়ান বলেন, ‘অনেকে বলেন অ্যাথলিটরা হলেন এন্টারটেইনার বা শো-বিজনেসের অংশ। আমার কাছে গ্র্যান্ড স্লামের কোর্টে হেঁটে ঢোকার এই সময়টাই একমাত্র মুহূর্ত, যখন নিজেকে সত্যিই একজন এন্টারটেইনার মনে হয়।’