এস্পানিওলের মাঠে ২-০ গোলে জিতেছে রিয়াল। ৩৪ ম্যাচ শেষে বার্সার (৮৮) সঙ্গে ১১ পয়েন্টের ব্যবধান ধরে রেখেছে তারা (৭৭)। তাতে তাদের শিরোপা জয়ের অপেক্ষা অন্তত আরও এক সপ্তাহ বাড়ল।
ওসাসুনার বিপক্ষে আগের দিনে বার্সার জয় রিয়ালকে চাপে রেখেছিল। তারা জিততে না পারলে হ্যান্সি ফ্লিকের দল শিরোপা নিশ্চিত করতো। কিন্তু আগামী সপ্তাহে ন্যু ক্যাম্পে দুই দলের লড়াই শেষেই হয়তো লা লিগা ট্রফির মীমাংসা হতে যাচ্ছে। বার্সা শিরোপায় এক হাত রেখেছে। আগামী ১০ মে এল ক্লাসিকোতে অন্তত ড্র করলেও ২৯তম ট্রফি জিতবে তারা।
এই হারে এস্পানিওলের পরের মৌসুমে ইউরোপিয়ান ফুটবল খেলার ক্ষীণ আশা শেষ হয়ে গেল। মৌসুমটা তারা দারুণভাবে শুরু করলেও নতুন বছরে বিপর্যয় দেখেছে। ২০২৬ সালে এখনো জিততে পারেনি তারা। ১৬ ম্যাচ খেলে ৬টি ড্র ও ১০টি হার।
ম্যাচের ৮ মিনিট পর দূরের পোস্টে ভিনিসিয়ুসকে ক্রস দেন ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নল্ড। ব্রাজিলিয়ানের নেওয়া শট ওমর আল হিলালির গায়ে লেগে গোলকিপার মার্কো দিমিত্রোভিচকে পরাস্ত করলেও পোস্টে আঘাত করে।
ফের্লান মেন্দির ইনজুরিতে ফ্রান গার্সিয়াকে নামিয়ে আগেভাগেই দলে পরিবর্তন আনে সফরকারীরা। ভিনিসিয়ুসকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেছিলেন এল হিলালি। কিন্তু ভিএআর স্ক্রিন দেখে আগের সিদ্ধান্ত পাল্টে হলুদ কার্ড দেন রেফারি।
মাদ্রিদ গোলকিপার আন্দ্রি লুনিন এস্পানিওলের লিয়ান্দ্রো কাবরেরার শট রুখে দিয়ে দলকে স্বস্তিতে রাখেন। বার্সা যখন শিরোপা জয়ের উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল তখন রিয়াল এগিয়ে যায়। ৫৫তম মিনিটে গনসালো গার্সিয়ার সঙ্গে ওয়ান-টু পাসে বক্সের মধ্যে জায়গা তৈরি করে মৌসুমের ১৪তম লিগ করেন ভিনিসিয়ুস।
রিয়ালের জয় সুনিশ্চিত হয় ১১ মিনিট পর। বক্সের মধ্যে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে পান জুড বেলিংহাম। সহজেই দিমিত্রোভিচকে পরাস্ত করে ২-০ করেন ভিনিসিয়ুস।