সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর শিববাড়ী মোড়ের গোলচত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এ সময় দলের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোল্যা শওকত হোসেন বাবুল বলেন, এনসিপির খুলনা জেলা আহ্বায়ক কমিটিতে তাঁর মতামত না নিয়েই তাঁকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদ দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাবুল বলেন, কমিটি গঠনের বিষয়ে সারজিস আলমের সঙ্গে তিনি একাধিকবার মৌখিকভাবে আলোচনা করেছেন। এমনকি এর আগে তিনি জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদে রাজনীতি করেছেন, এ বিষয়টিও সারজিস আলমকে জানিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।
বাবুলের অভিযোগ, তাঁর রাজনৈতিক অতীত ও এনসিপিতে যোগদানের বিষয়টি জানা সত্ত্বেও প্রত্যাশানুযায়ী দায়িত্ব না দিয়ে তাঁকে এক ধরনের অপমান করা হয়েছে। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি থেকে পদত্যাগ করার পর এনসিপিতে যোগদান করি। দলের যেকোনো কর্মসূচি ও অনুষ্ঠানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছি। এরপরও কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো এবং কেন আমাকে অপমান করা হলো, তা আমি জানি না।
এভাবে মতামত উপেক্ষা করে পদ নির্ধারণের বিষয়টিকে তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও স্বেচ্ছাচারী আচরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তির ওপর পদ চাপিয়ে দেওয়া কিংবা তাঁর মতামত উপেক্ষা করে দায়িত্ব নির্ধারণ করা সংগঠনের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।