৩ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত ঢাকার উত্তরা, মিরপুর ও আগারগাঁওয়ে শুটিং হয়েছে নাটকটির। এই শহরের নাগরিক জীবনে সম্পর্কের টানাপোড়েনের কাহিনি নিয়ে রচিত হয়েছে নাটকটি। ষাটোর্ধ্ব হায়াত সাহেব সারা জীবন মফস্বলে চাকরি করেছেন। জমিজমা যা ছিল তা বিক্রি করে একমাত্র ছেলে জাফরকে ঢাকায় পড়িয়েছেন। জাফর এখন বিয়ে করে ঢাকায় সেটেলড। অন্যদিকে হায়াত সাহেবের স্ত্রী মারা গেছেন। তিনি নিজেও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আসেন একমাত্র ছেলে জাফরের বাড়িতে। জাফরের স্ত্রী টুম্পা চাকরি করেন। বাবাকে পেয়ে দুজনেই খুব খুশি হয়। কিন্তু শহুরে ব্যস্ততা আর জীবনের বাস্তবতায় ধীরে ধীরে নানা ধরনের তিক্ততা জন্মাতে শুরু করে। বাবা আর ছেলের সম্পর্কের মাঝে দেয়াল হয়ে দাঁড়াতে চায় নিদারুণ বাস্তবতা।
নাটকটি নিয়ে নির্মাতা সুব্রত মিত্র বলেন, ‘এটা একটা পারিবারিক গল্পের নাটক। বাবা আর সন্তানের সম্পর্কের গল্পের নাটক। তাদের সাধ অনেক কিন্তু সাধ্যটা সীমিত। ছেলের ইচ্ছা করে বাবার জন্য জীবনের পুরোটা দিয়ে দিতে, কিন্তু বাস্তবতা তাকে দাঁড় করায় ভিন্ন এক দেয়ালের সামনে।’
নাটকটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন সুমন হোসেন, সম্পাদনায় রমজান আলী। আবহসংগীত করেছেন প্রত্যয় খান। প্রযোজনা করেছেন মো. জামাল হোসেন। ঈদে রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্ট ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে নাটকটি।