বুধবার (২৭ মে) অধিনায়কের পক্ষে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাব-১০ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি তাপস কর্মকার।
তিনি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, রাজধানীর বাস, রেল ও লঞ্চ টার্মিনালসহ গুরুত্বপূর্ণ পশুর হাটগুলোতে জোরদার করা হয়েছে টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও চেকপোস্ট কার্যক্রম।
ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে চুরি, ছিনতাই, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি ও জাল টাকার চক্র সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কায় সাদা পোশাকে সদস্য মোতায়েন, রোবাস্ট পেট্রল, ফুট পেট্রল এবং সাইবার নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ চেকপোস্ট ও কন্ট্রোল রুম।
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ও গোয়ালন্দ ফেরিঘাটে পৃথক কন্ট্রোল রুম চালু করেছে র্যাব-১০।
একইসঙ্গে সদরঘাট ও বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌ পথে যাত্রীদের নিরাপত্তায় সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।
যাত্রীদের বাসের ছাদ, ট্রেনের ছাদ, বাফার, পাদানি কিংবা পণ্যবাহী যানবাহনে ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে র্যাব। পাশাপাশি ভ্রমণপথে অপরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পশুর হাটে চাঁদাবাজি, জাল টাকা, ছিনতাই ও প্রতারণা ঠেকাতে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।
জাল নোট শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ হাটগুলোতে মেশিন ব্যবহার করছে র্যাব-১০। অনলাইনে পশু কেনাবেচার ক্ষেত্রে ভেরিফায়েড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার ও নিরাপদ লেনদেনের পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া পশুর হাট, বাস টার্মিনাল ও লঞ্চ টার্মিনালে ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি পরিচালনার কথা জানিয়েছে বাহিনীটি। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে র্যাবের কন্ট্রোল রুমে জানানোর অনুরোধও করা হয়েছে।