প্রথম ম্যাচে একই মাঠে মাত্র ১০ রানে বোল্ড হয়ে ফিরেছিলেন এস্টারহুইজেন। বৃষ্টিবিঘ্নিত সেই ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ৯৯ রানে জয় পেয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য শুরু থেকেই দারুণ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন জোহানেসবার্গে জন্ম নেয়া ডানহাতি এই ব্যাটা
জর্ডান হারম্যান ২০ রানে আউট হওয়ার পর টনি ডি জর্জির সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ১৮৩ রানের জুটি গড়েন এস্টারহুইজেন। এই জুটিই দক্ষিণ আফ্রিকার বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ৩৩৫ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা।
১১০ বলে ১১৯ রানের ইনিংসে এস্টারহুইজেন হাঁকান ছয়টি ছক্কা ও আটটি চার। দুর্দান্ত এই ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে। অন্যদিকে ডি জর্জি ৭৯ রান করেন, যেখানে ছিল একটি ছক্কা ও ছয়টি চার।
৩৩৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে নামিবিয়া। মাইকেল ভ্যান লিঙ্গেন, মালান ক্রুগার ও ইয়ান ফ্রাইলিঙ্ক; তিন ব্যাটারই রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন। একপর্যায়ে ৩২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চরম বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা।
তবে অধিনায়ক গেরহার্ড এরাসমাস ও ইয়ান বাইট সপ্তম উইকেটে ৭১ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোর কিছুটা সম্মানজনক অবস্থায় নিয়ে যান। এরাসমাস ৬৮ রান করেন, তার ইনিংসে ছিল একটি ছক্কা ও ছয়টি চার। বাইট করেন ২৬ রান।
এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি নামিবিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। ফলে ১৫৭ রানের বড় জয় নিয়ে সিরিজও নিশ্চিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
তিন ম্যাচের সিরিজের শেষ ওয়ানডে রোববার উইন্ডহোকে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা।