সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাদের পক্ষে রায় দিলেও অভিযুক্ত ইয়াকুব বেপারী এখনো জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না। বরং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন বলে তারা দাবি করেন।
ভুক্তভোগী মাজেদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, কোর্টের রায় পাওয়ার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে ইয়াকুব বেপারী উপস্থিত থাকেন না। পরবর্তীতে আমরা জমিতে গেলে ইয়াকুব বেপারী ও তার লোকজন বাধা দেয় এবং হামলা চালায়। এ ঘটনায় খলিল বেপারী ও তার মেয়েকে মারধর করে আহত করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। এবিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছিলো।
আরও অভিযোগ করা হয়, ইয়াকুব বেপারীর মেয়ের জামাই, যিনি সেনাবাহিনীর সদস্য বলে পরিচয় দিয়েছেন, তিনি ঢাকার বনানীতে মাজেদা বেগমের ছেলে, রুহুল আমিনের দোকানে গিয়ে সেনাবাহিনীর পোশাক পরে হুমকি দিয়েছেন। এ বিষয়ে তারা নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু আদালতের রায় কার্যকর না হওয়ায় আমরা চরম ভোগান্তিতে আছি। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইয়াকুব বেপারীর বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।