অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য বুলবুল বলেন, হাসপাতালটি ২৫০ শয্যার হলেও এখানে সব সময় ৫০০ থেকে ৭০০ রোগী ভর্তি থাকেন। দীর্ঘদিনের জটিলতার কারণে ২৫০ জন রোগীকে খাবার দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। আজ সেই সমস্যার সমাধান হলো।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আব্দুস সামাদ জানান, ২০২০ সালে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা থাকলেও অর্থনৈতিক কোড পরিবর্তন না হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ১০০ শয্যার কোডেই (২১১) পরিচালিত হচ্ছিল। ২০২২ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হলেও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না পাওয়ায় সমস্যার সমাধান হয়নি। পরে সংসদ সদস্য বুলবুল মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে আসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য লতিফুর রহমান, জামায়াতের পৌর আমির হাফেজ গোলাম রাব্বানি ও সদর আমির হাফেজ আব্দুল আলীম। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে সংসদ সদস্য হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন এবং রোগীদের খোঁজখবর নেন।