মুসলিম বিশ্বকে উদ্দেশ করে এক বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘কিছু দেশ তো আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে ইরানকে নিজেদের প্রতিপক্ষ ঘোষণা করেছে। ইরান তাদের ভূখণ্ডে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি, পাশাপাশি মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোয় এমন পদক্ষেপ নিয়েছে তারা।’
লারিজানি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে যখন মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে, তখন ইরানের কাছ থেকে ‘হাত গুটিয়ে চুপচাপ বসে থাকার’ প্রত্যাশা করা অনুচিত। ইরানি এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আজকের এই সংঘাতে একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, আর অন্যদিকে মুসলিম ইরান ও প্রতিরোধ শক্তির মধ্যে। তাহলে আপনারা কোন পক্ষের সঙ্গে আছেন?’
মুসলিম ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে ইরানের এই শীর্ষ নিরাপত্তা যোগ করেন, ইরান এই অঞ্চলে কোনও ধরনের ‘আধিপত্য’ প্রতিষ্ঠা করতে চায় না। লারিজানি আরও বলেন, ‘আপনারা ভালো করেই জানেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনও বিশ্বাস নেই আর ইসরায়েল আপনাদের শত্রু।’
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সে হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। এই আগ্রাসনের জবাব দিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানায় ইরান।
এতে উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের ওপর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায়। তার প্রেক্ষিতেই লারিজানি মুসলিম বিশ্বকে এমন বার্তা দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।