বুধবার (১২ আগস্ট) জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত মার্চ মাসে ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নে মাটি পরিবহনকে কেন্দ্র করে নোমানুল হক নোমানের সঙ্গে রামপুর নাসির মেমোরিয়াল কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার তাহাদ ইফতুর একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
চার মিনিটের ওই ফোনালাপে ইলাশপুর সড়ক দিয়ে সাত দিন মাটি পরিবহনের বিনিময়ে ১৬ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ ওঠে নোমানের বিরুদ্ধে। টাকা না দিলে গাড়ি চলাচলে বাধা দেওয়ার ইঙ্গিতও ছিল ফোনালাপে।
ফোনালাপটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ মার্চ সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নোমানকে ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়াকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বহিষ্কারের সাড়ে চার মাস পর কেন্দ্রীয় সংসদ নোমানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাঁকে পুনরায় স্বপদে ফিরিয়ে আনল।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাহ উদ্দিন মামুন জানান, কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের চিঠি পাওয়া গেছে এবং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।