মাদ্রিদের পরবর্তী লা লিগা ম্যাচ সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে মরিনিও বলেন, বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের তালিকায় দুই-তিনজন কিংবা চারজনের বেশি নাম নেই। তাদের মধ্যে এমবাপে এই গ্রীষ্মে ব্যক্তিগতভাবে ইতিহাস গড়েছেন।
ফ্রান্সের অধিনায়ক এমবাপে এবারের ব্যালন ডি’অরের অন্যতম দাবিদার। গত মৌসুমে লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও সর্বোচ্চ গোলদাতার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন তিনি। যদিও মৌসুম শেষে বড় কোনো শিরোপা হাতে ওঠেনি তাঁর। তবে মরিনিওর মতে, এতে এমবাপের ব্যালন ডি’অর পাওয়ার দাবিকে খাটো করা যায় না।
মরিনিও বলেন, ‘আপনি শুধু একজন খেলোয়াড়কে চ্যাম্পিয়নস লিগ বা বিশ্বকাপ জেতার কারণে ব্যালন ডি’অর দিতে পারেন না। আমার কাছে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় আর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিযোগিতার সেরা দল—দুটি ভিন্ন বিষয়।’
নিজের যুক্তি তুলে ধরতে ফুটবল ইতিহাসের কয়েকজন কিংবদন্তির উদাহরণও টানেন মরিনিও। তাঁর মতে, এমন খেলোয়াড়দেরই ব্যালন ডি’অর দেওয়া উচিত, যাদের অবসর নেওয়ার পরও ফুটবলপ্রেমীরা দীর্ঘদিন মনে রাখবেন। দিয়েগো ম্যারাডোনা, রোনালদিনহো, রোনালদো নাজারিও, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি ও জিনেদিন জিদানের নাম উল্লেখ করে এমবাপেকেও তিনি সেই স্তরের খেলোয়াড় হিসেবে দেখেছেন।
এমবাপের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সও তাঁর দাবির পক্ষে বড় যুক্তি। বুধবার রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন তিনি। এর আগে লা লিগা, চ্যাম্পিয়নস লিগ ও বিশ্বকাপে গোলের বন্যা বইয়ে দিয়ে নিজের ধারাবাহিকতার প্রমাণ দিয়েছেন এই ফরাসি তারকা।
এবারের ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে এমবাপের সঙ্গে রয়েছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন, বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের রদ্রি এবং পিএসজির ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন উসমান দেম্বেলে ও খভিচা কাভারৎসখেলিয়াও।