যশোর সদর উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের বীর নারায়ণপুর, ফুলবাড়ী ও হাপানিয়া গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ। বীর নারায়ণপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়া মসজিদ থেকে ফুলবাড়ী গ্রামের ভেতর দিয়ে হাপানিয়া গ্রামের মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত কাঁচা সড়কটি তিন গ্রামের মানুষের প্রধান যোগাযোগের পথ। এই সড়ক দিয়ে সাতমাইল বাজার, বারোবাজার ও খাজুরা বাজারে যাতায়াত করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই পথ ব্যবহার করেন।
সড়কটির মাঝামাঝি এলাকায় রয়েছে ফুলবাড়ী মডেল স্কুল, খেলার মাঠ, মসজিদ ও ঈদগাহ। পাশেই রয়েছে ওসমানপুর আলিম মাদরাসা, ফুলবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ফুলবাড়ী কমিউনিটি ক্লিনিক। ফলে শিক্ষার্থী, শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীদের এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হয় বেশি।
কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কের বিভিন্ন অংশের মাটি ক্ষয়ে গেছে। কোথাও কোথাও সড়কটি পাশের কৃষিজমির সঙ্গে একাকার হয়ে গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। গর্তগুলোতে জমে আছে ঘোলা পানি। কোথাও সামান্য বালির আস্তরণ থাকলেও পিচ্ছিল কাদা মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে মানুষকে। বর্ষার সময় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে।
সকালে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে। কাদার কারণে সাইকেল চালানো সম্ভব হয় না। তাই ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের কাদা মাড়িয়েই স্কুলে যেতে হয়। অনেক সময় পা পিছলে পড়ে গিয়ে জামাকাপড় নষ্ট হয়। বেশি বৃষ্টি হলে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিতে হয় বলেও জানায় শিক্ষার্থীরা।
ফুলবাড়ী মডেল স্কুলের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ইসলাম বলে, বর্ষা এলে স্কুলে যাওয়াটা সাজা খাটার মতো মনে হয়। হেঁটে যেতে গিয়ে পা পিছলে কাদায় পড়ে কতদিন জামাকাপড় নষ্ট হয়েছে তার হিসাব নেই। বেশি বৃষ্টি হলে স্কুলে যাওয়া একদম বন্ধ করে দিতে হয়।