তবে চলতি সপ্তাহে দাম সামগ্রিকভাবে প্রায় ০.৫ শতাংশ কমেছে। এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারস ১.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪,৪৬১ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহ ধরে স্বর্ণকে মূলত তারল্য সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বাজারের অস্থিরতা ও মার্জিন কল সামাল দিতে এটি বিক্রি করা হয়েছে, তবে বর্তমান দামে এটি বিনিয়োগকারীদের কাছে আবার মূল্যবান বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।’
রুপার দামও ৩.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৭০.১০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ৩.৫ শতাংশ বেড়ে ১,৮৯১.০২ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১,৩৯৮.৩০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২,৩৪,৮৫৫ টাকা, ২১ ক্যারেট ২,২৪,১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১,৯২,১৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১,৫৬,৪৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।