বেলুচিস্তান পোস্টের খবর অনুসারে, বিএলএ মুখপাত্র জিয়ান্দ বালোচ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ওই দিন ভোর ৬টার দিকে অভিযানটি শুরু হয়। তাদের যোদ্ধারা স্থানীয় থানা ও বেশ কয়েকটি সরকারি ভবন দখল করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে গেছে। এ সময় বিস্ফোরক দিয়ে থানা ধ্বংস করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট প্রধান মহাসড়ক বরাবর অবস্থান নেয় এবং শহরে প্রবেশের পথগুলোতে অবরোধ তৈরি করে।
সোরগাজের কাছে পুলিশের একজন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্টের নেতৃত্বাধীন গাড়িবহরে অতর্কিত হামলা চালালে তারা পিছু হটে।
বিএলএ জানিয়েছে, পরে সাঁজোয়া যান ও গানশিপ হেলিকপ্টারের সহায়তা নিয়ে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য এসে পৌঁছালে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সংঘর্ষ চলে। এই লড়াইয়ে পাকিস্তানের ১৫ জনেরও বেশি সদস্য নিহত ও কয়েক ডজন আহত হয়েছে। এছাড়া ভারী অস্ত্রের গোলায় একটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস ও একটি হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পরে ওই দিন সন্ধ্যায় বিএলএ যোদ্ধারা মহাসড়ক ধরে অগ্রসরমান আরেকটি সামরিক বহরে ওপর হামলা চালায়। এতে সরাসরি একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আরো ৪ জন নিহত হন।
বেলুচিস্তান পোস্টের খবরে বলা হয়, বিএলএ নিশ্চিত করেছে, অভিযানের সময় তাদের ছয় জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে। যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিএলএ বলেছে, যোদ্ধাদের এই মৃত্যু স্বাধীন বেলুচিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের সশস্ত্র আন্দোলনকে আরো শক্তিশালী করবে।