বাংলাদেশ শেষ তিনটি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে স্পোর্টিং উইকেটে। যেখানে স্পিন নির্ভরতা কমিয়ে পেসারদের বাড়তি সুবিধা দিয়েছে। উইকেটে রেখেছিল তাজা ঘাস। পেসাররা বাড়তি গতির সঙ্গে বাউন্সও জেনারেট করতে পেরেছেন। ব্যাটসম্যানরাও খেলেছেন নিজের স্বাচ্ছন্দ্যমতো। হোম কিংবা অ্যাওয়ে দুই দল পেয়েছে সমান সুবিধা।
অস্ট্রেলিয়াকে তেমন উইকেটই অফার করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সেভাবেই একাদশ সাজানোর পরিকল্পনা করেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তিন পেসারের সঙ্গে দুই স্পিনার নেবে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়াও এগোবে একই রণ কৌশলে। তাদের একাদশেও তিন পেসার দেখতে পারার সম্ভাবনা বেশি।
চলতি বছরে বাংলাদেশে হওয়া ছয়টি ওয়ানডের মধ্যে পাঁচটিই হয়েছে মিরপুর শের ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে। সেখানে পেসাররা নিয়েছেন ৬৯ উইকেট, গড় ২২.৬০। বিপরীতে স্পিনারদের উইকেট ২৬টি, গড় ৩৫.৫০। পাকিস্তানে স্পিন উইকেটে নাকানিচুবানি খাওয়া অস্ট্রেলিয়াকে বাংলাদেশের গতি নিয়েই বেশি ভাবতে হচ্ছে।
কেমন হতে পারে দুই দলের একাদশ?
বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, লিটন দাস, মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: ম্যাট শর্ট, জস ইংলিশ (অধিনায়ক), মার্নাস লাবুশানে, অ্যালেক্স ক্যারি, ক্যামেরুন গ্রিন, ম্যাট রেনশ, ওলি পিকে, জাভিয়ার বার্টলেট, ম্যাট খুনেমান, নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পা।