ইনফান্তিনো এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ব্যাখ্যা করেছি যে ফিফার স্বাধীন বিচারিক সংস্থার অধীনে একটি আইনি প্রক্রিয়া চলছিল এবং যথাসময়ে যোগ্য কর্তৃপক্ষই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
এর আগে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছিলেন যে তিনি ইনফ্যান্তিনোকে ফোন করে যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনের লাল কার্ডের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলেন। পরে ফিফা বালোগুনের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করলে ট্রাম্প প্রকাশ্যে সেই সিদ্ধান্তকে “দারুণ বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত” বলে প্রশংসা করেন এবং এটিকে সঠিক পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেন।
তবে ইনফ্যান্তিনোর বক্তব্যের পরও বিতর্ক থামেনি। ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা এবং বেলজিয়াম ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অভিযোগ তুলেছে, বাধ্যতামূলক লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ফুটবলের শৃঙ্খলা ও বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য বিপজ্জনক নজির তৈরি করেছে। বিষয়টিকে তারা ফিফার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কারণ বলেও উল্লেখ করেছে।
এই ঘটনা শুরু হয় বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে বালোগুন লাল কার্ড দেখার পর। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে বেলজিয়ামের বিপক্ষে তার খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়লে ট্রাম্প সরাসরি ইনফান্তিনোর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ফিফা শাস্তি স্থগিত করায় রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ ওঠে।
যদিও ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেননি; কেবল সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলেন। অন্যদিকে ইনফান্তিনো জোর দিয়ে বলেছেন, পুরো প্রক্রিয়াটি স্বাধীন বিচারিক সংস্থার মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে।