এই ম্যাচ দিয়ে চলতি বিশ্বকাপে সহ-আয়োজক মেক্সিকোর অধ্যায় শেষ হলো। এর আগে শেষ ষোলোর ম্যাচটি খেলতে দেশটিতে পা রাখার পরই ইংলিশ ফুটবলাররা বিরূপ পরিস্থিতির মুখে পড়ে। স্বাগতিক ভক্তরা তাদেরকে দুয়ো দিয়ে অভ্যর্থনা, যাত্রাপথে তাদের সঙ্গে অনেকদূর যাওয়া এবং পরিকল্পনা ছিল টিম হোটেলের বাইরে তাদের কান ফাটানোর। তবে ইকুয়েডর ম্যাচ-পূর্ব পরিস্থিতি ফিরতে দেয়নি মেক্সিকোর নিরাপত্তা বাহিনী।
মাঠের পারফরম্যান্সে আসরজুড়ে দুর্দান্ত ছিল মেক্সিকো। আজও (সোমবার) ছিল সেই দাপট। ঐতিহাসিক ভেন্যু আজতেকা স্টেডিয়ামে ম্যাচজুড়েই সবদিক থেকে স্বাগতিকরা এগিয়ে ছিল। ৬৭ শতাংশ পজেশন আর ১৯ শট নিয়ে তারা ৪টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। বিপরীতে ৫ শটের ৪টি লক্ষ্যে ছিল ইংলিশদের। আর তাতেই সাফল্য। জুড বেলিংহ্যাম প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করেন, পরে পেনাল্টিতে আরেক গোল আসে হ্যারি কেইনের কাছ থেকে।
মেক্সিকোর পক্ষে দারুণ ফর্মে থাকা হুলিয়ান কুইনোনেস ব্যবধান কমিয়েছিলেন বিরতির আগমুহূর্তে। ৫৪ মিনিটে হেসুস গায়ার্দোকে বাজেভাবে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ইংল্যান্ডের জ্যারেল কোয়ানসা। ফলে ম্যাচের বড় সময়েই থমাস টুখেলের দল খেলে ১০ জন নিয়ে। পরে কেইনের ফাউলের সুবাদে পেনাল্টি পায় মেক্সিকো। রাউল হিমিনেজ স্পট কিকে স্কোরলাইন ৩-২ করেন।