নরওয়েজিয়ান সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হালান্ড বলেন, ফুটবলে কিছু বিষয় তিনি অসম্ভব বলে মনে করতেন। তবে রোববারের ফলাফল তাকে ভুল প্রমাণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমি প্রায় বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। জীবনে কখনও ভাবিনি এমন কিছু ঘটবে। নরওয়ের হয়ে বিশ্বকাপে খেলাই ছিল আমার স্বপ্ন, কিন্তু আমরা ব্রাজিলকে হারাব– এটা কখনও কল্পনাও করিনি।’
‘সত্যি বলতে আমি মনে করতাম ফুটবলে কিছু জিনিস অসম্ভব। কিন্তু মনে হচ্ছে আমি ভুল ছিলাম। আমরা বল দখল করে খেলার বিষয়টি নিজেদের ফুটবল দর্শনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পেরেছি। সহজভাবে বলতে গেলে খেলোয়াড় হিসেবে এবং একটি জাতি হিসেবে আমরা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্ব অর্জন করেছি’, আরও যোগ করেন ২৫ বছর বয়সী এই স্ক্যান্ডিনেভিয়ান তারকা।
ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে। এর আগে বিশ্বকাপে তাদের সেরা সাফল্য ছিল ১৯৯৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পৌঁছানো। এমন জয়ের পর হালান্ডকে নিয়ে স্তুতি চললেও, সতীর্থ ও কোচদের সেই কৃতিত্ব দিলেন ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা, ‘ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করার বিষয়টি আমার কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তবে এই গোলগুলো কেবল আমার একার নয়।’