বিবৃতিতে বলা হয়, কৌশলগত কারণে হরমুজ প্রণালিতে বিস্তর পরিবর্তন এসেছে। প্রণালিটি আর কখনোই আগের অবস্থায় ফিরবে না, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য।
আরও বলা হয়, ইরান একটি নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলছে। এ পরিকল্পনা অনুযায়ী, উপসাগরীয় দেশগুলোই পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। গুরুত্বপূর্ণ এ আন্তর্জাতিক নৌপথে বিদেশি প্রভাব বা আধিপত্যের যুগ শেষ বলেও উল্লেখ করা হয়।
এদিকে, হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে গত কয়েক সপ্তাহে ইরানকে বেশ কয়েকবার আলটিমেটাম বা সময় বেঁধে দিয়েছেন ট্রাম্প। অন্যথায় তিনি দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়েছেন।
ইরান ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তিতে রাজি না হলে দেশটি ‘সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেয়ার’ হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্থানীয় সময় রোববার তিনি এ হুমকি দেন।
একইদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথে দেওয়া এক পোস্টে মঙ্গলবার ইরানে ‘পাওয়ার প্ল্যাান্ট ডে’ এবং ‘ব্রিজ ডে’ হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। পোস্টে তিনি বলেন, ইরানে ‘পাওয়ার প্ল্যান্ট ডে’ ও ‘ব্রিজ ডে’ সব একসঙ্গে ঘটবে। ‘মঙ্গলবার, পূর্ব উপকূলীয় সময় রাত ৮টা!’
তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এসব হুমকির পরও নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে ইরান। বৈশ্বিক তেল ও জ্বালানি পরিবহনের গুরত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে এখনও কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে দেশটি। এমনকি এ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর ট্রানজিট ফি বা যাতায়াত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।