রোববার (৫ এপ্রিল) দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, অর্থমন্ত্রী কু ইউন চিওল গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি)ভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), ন্যাপথা ও ইউরিয়ার সরবরাহ যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে নিশ্চয়তা চাওয়া হয়।
এ ছাড়া হরমুজ প্রণালির আশপাশে চলাচলরত দক্ষিণ কোরিয়ার জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
সম্প্রতি ইরান হরমুজ প্রণালিতে চলাচলে সীমাবদ্ধতা আরোপ করায় বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে চাপ বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে জ্বালানি বাজারেও—তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৯ ডলারে পৌঁছেছে।
এ পরিস্থিতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার (৪ এপ্রিল) ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রণালিটি খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম দেন। অন্যথায় ‘ভয়াবহ পরিণতি’র হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত থাকলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি এটিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের জবাব হিসেবে উল্লেখ করেন।